শাহেনশাহ (Shahenshah) | হাইব্রিড লাউ
40.00৳
আপনি যদি অধিক ফলন এবং বাজারে সর্বোচ্চ চাহিদাসম্পন্ন লাউ চাষ করতে চান, তবে ‘শাহেনশাহ’ হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। এর বিশেষ আকৃতি এবং চমৎকার স্বাদের জন্য এটি চাষি ও গ্রাহক উভয়ের কাছেই অত্যন্ত জনপ্রিয়।
15 in stock
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
দীর্ঘ ও সুঠাম আকৃতি: শাহেনশাহ জাতের লাউ বেশ লম্বা এবং আকর্ষণীয় আকৃতির হয়ে থাকে।
চমৎকার রঙ: এর গায়ের রঙ উজ্জ্বল হালকা সবুজ, যা বাজারে ক্রেতাকে দ্রুত আকৃষ্ট করে।
দ্রুত বর্ধনশীল: বীজ বপনের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং ফলন দিতে শুরু করে।
অধিক ফলন: প্রতিটি গাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে লাউ পাওয়া যায়, যা বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক।
সহনশীলতা: এটি সাধারণ পোকামাকড় এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় টিকে থাকার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
প্রযুক্তিগত তথ্যাবলি (Technical Details):
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
| জাতের ধরন | প্রিমিয়াম হাইব্রিড (Hybrid) |
| ফলের আকৃতি | আকর্ষণীয় লম্বা ও অভিন্ন (Uniform) |
| ফলের গড় ওজন | ২ কেজি থেকে ৩ কেজি (উপযুক্ত পরিচর্যায় কম-বেশি হতে পারে) |
| প্রথম সংগ্রহ | বপনের ৫০ – ৬০ দিনের মধ্যে |
| চাষের সময় | সারা বছর চাষযোগ্য (মৌসুম ভেদে ফলন তারতম্য হতে পারে) |
কেন বিটিজি শাহেনশাহ চাষ করবেন?
১. সর্বোচ্চ বাজারমূল্য: এর আকর্ষণীয় দৈর্ঘ্য এবং দাগহীন মসৃণ চামড়ার কারণে বাজারে সাধারণ জাতের চেয়ে এর দাম বেশি পাওয়া যায়।
২. স্বাদ ও গুণমান: শাহেনশাহ লাউ রান্নায় দ্রুত সিদ্ধ হয় এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু।
৩. পরিবহন ক্ষমতা: ফলের গঠন মজবুত হওয়ায় দূরে পরিবহনে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
সফল চাষের কিছু টিপস:
উর্বর দোআঁশ মাটিতে চাষ করলে সবচেয়ে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
মাচা পদ্ধতিতে চাষ করলে লাউয়ের আকৃতি সোজা এবং সুন্দর থাকে।
নিয়মিত জৈব সার ব্যবহার করলে ফলের গুণগত মান এবং স্বাদ বৃদ্ধি পায়।
| Weight | 0.008 kg |
|---|


Reviews
There are no reviews yet.